এই সাঁতারু কাঁকড়াটি আমাদের উপকূল বরাবর সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং এদেরকে ১ থেকে ৪৫০ মিটার গভীরতায় পাওয়া যায়।
উদাহরণস্বরূপ, সৈকতের কাঁকড়া থেকে এই কাঁকড়াটির পার্থক্য হলো, এর পঞ্চম জোড়া পায়ের সবচেয়ে বাইরের গাঁটটি এক ধরনের চ্যাপ্টা বৈঠার মতো আকৃতির। এই পা-গুলোকে প্রপেলারের মতো ঘুরিয়ে এরা সাঁতার কাটার একটি গতি তৈরি করে, যা গতিশক্তি জোগায়। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে পালানোর সময়, এমনকি খাবার খোঁজার সময়েও এরা এই কৌশলটি প্রচুর ব্যবহার করে। এরা অত্যন্ত হিংস্র শিকারি হিসেবেও পরিচিত, তাই সাঁতার কাটার ক্ষমতার সাথে মিলিত হয়ে এরা ছোট মাছও ধরতে পারে।
আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে এবং আমাদের ওয়েবসাইটকে অপ্টিমাইজ করতে আমরা কুকি ব্যবহার করি। ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এই তথ্য ব্যবহারে আমাদের সম্মতি দিচ্ছেন। কুকি এবং গোপনীয়তা সম্পর্কে আরও জানতে এখানে পড়ুন।